প্রধানমন্ত্রী মে’র কাছে আশার আলো,ব্রেক্সিটের সময়সীমা পেছালো ইউরোপীয় ইউনিয়ন

Spread the love

যখন আমরা মনে করছিলাম থেরেসা মেয়ের ব্রেক্সিট এর রাস্তা বন্ধ, তখনই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুদিনের ছাড় পেয়েছেন।

ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নেতারা, ব্রেক্সিট এর সময়কে 29শে মার্চের পরও পিছিয়ে দিয়ে আর্টিকেল 50 এর প্রক্রিয়া বিলম্ব করতে সম্মত হয়েছেন। যদি সাংসদরা আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে প্রত্যাহার চুক্তি অনুমোদন করে, তাহলে ব্রিটেনকে 22শে মে অবধি ব্রেক্সিট এর সময় বিলম্বিত করার সুযোগ দেওয়া হবে।

যদি তারা রাজী না হয় তবে ইইউ 12 এপ্রিল পর্যন্ত কমদিনের ছাড় দেবে, যাতে ব্রিটেন চুক্তিটি পাশ করানোর সুযোগ পায় অথবা সকলের কল্যানের জন্য মেনে নিতে পারে।

ব্রিটিশ নিউজ চ্যানেল বিবিসি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মে জানিয়েছেন ব্রিটিশ সাংসদদের কাছে এখন একটি সহজ পছন্দ আছে, যারা তৃতীয়বারে ভোটে প্রধানমন্ত্রীর পরের সপ্তাহের চুক্তিকে মান্যতা দিতে পারেন।


ব্রিটেনের ইইউ ছেড়ে যাওয়ার নির্বাচনের তিন বছর পরও তারা প্রত্যাহারের চুক্তিটি ফিরিয়ে নিতে পারে, পুনরায় গণভোট করে “সুষ্ঠুভাবে” ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে পারে বা ইউরোপীয় সংসদীয় নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারে ।

তিনি বলেন, তিনি “চুক্তিটি সর্বসম্মতিতে পাশ করানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম” করবেন। তিনি বলেন, গত রাতে তার বক্তব্যে তিনি “হতাশা প্রকাশ করেছিলেন”, যার মধ্যে তিনি বিলম্বের জন্য সাংসদদের দোষারোপ করেছিলেন, কিন্তু যোগ করেছেন যে “আমি জানি যে সাংসদরাও খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলেন” এবং তিনি, চুক্তিটি যারা সমর্থন করেছেন তাদের কাছে “খুব কৃতজ্ঞ” । তিনি বলেন, ” যাতে করে আমরা একটি চুক্তির সাথেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যেতে পারি এবং আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, তা নিশ্চিত করার জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব”।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জিন ক্লড জাঙ্কার এর সাথে একটি সাংবাদিক বৈঠকে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, 1২ এপ্রিল পর্যন্ত – যখন অবধি ইউকে ইঙ্গিত করতে পারে যে 2019 সালের ইউরোপীয় সংসদ নির্বাচনে তারা দাঁড়াবে – “তখন অবধি সমস্ত পথই খোলা আছে … ব্রিটেন সরকারের কাছে ব্রেক্সিটে চুক্তি,বিনা চুক্তি অথবা দীর্ঘ বিলম্বন আবার আর্টিকেল 50 প্রত্যাহার করারও সুযোগ থাকবে “।

তিনি বলেন, ইউকে যদি 12ই এপ্রিল এর মধ্যে তারা নির্বাচনে দাঁড়াবে কি না সেটার সিদ্ধান্ত নিতে না পারে তাহলে ব্রেক্সিটের দীর্ঘ বিলম্বন অসম্ভব হয়ে উঠবে।

তিনি যোগ করেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সাথে আলোচনার পরিবেশ “প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো” ছিল এবং এখন তিনি এ ব্যাপারে “অনেক আশাবাদী” । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *