সুপ্রিম কোর্টকে মধ্যস্থতার আদেশ পরিবর্তন করতে বলল নির্মোহী আখড়া

Spread the love

নির্মোহী আখড়া, রাম জনভূমি-বাবরি মসজিদের মামলায় মধ্যস্থতাকারী সম্বন্ধীয় আদেশ পরিবর্তন করতে সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করেছে।

মামলার দাবিদার এই আখড়া, এই বিষয়ে আপত্তি জানান যে 25 টিরও বেশি পক্ষকে মধ্যস্থতা সেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা আদালতকে অনুরোধ করেন শুধুমাত্র বিতর্কিত ভূমির দাবীদার – সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড এবং নির্মোহী আখড়া কে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অনুমতি দেবার জন্য।

এর আগে, ওয়াকফ বোর্ড এবং আখাড়া ছিল শুধুমাত্র দুটি আবেদনকারী যারা মধ্যস্থতার কোন আপত্তি জানাননি। উত্তরপ্রদেশ সরকারসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে মতামত প্রকাশ করেছে।

উপরন্তু আখাড়া, সুপ্রিম কোর্টকে মধ্যস্থতার স্থানটি একটি নিরপেক্ষ শহরে স্থানান্তরিত করার আহবান জানিয়েছেন। বর্তমানে, মধ্যস্থতার জায়গা হচ্ছে ফৈজাবাদ, যেটা অযোধ্যার নিকটে অবস্থিত।

মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেলের অংশ হিসেবে তারা আরও দুটি বিচারক নিয়োগের জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ইব্রাহিম কালিফুল্লা, আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর এবং মধ্যস্থতা প্যানেলের সদস্য হিসেবে শ্রীরাম পঞ্চুকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট নির্বাচিত করেন সর্বোচ্চ আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের মধ্যস্থতাকারীদের তিন সদস্যের প্যানেলে অযোধ্যা বিরোধ মামলাটি অর্পণ করেছেন। ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোয়ের নেতৃত্বে পাঁচজন বিচারকমন্ডলীর সংবিধান বেঞ্চ, এই প্যানেলকে সব স্টেকহোল্ডারের সাথে কথা বলতে এবং আট সপ্তাহের মধ্যে রাম মন্দির-বাবরি মসজিদের বিরোধ সম্পর্কিত একটি সমাধানে পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে এই মামলার সাথে জড়িত হিন্দু গোষ্ঠীগুলি অবশ্য বলেছিল যে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান সম্প্রদায়ের অধিকাংশের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। যাইহোক, আদালত এই ব্যাপারে উপলব্ধি করেছে যে ক্ষনিকের সিদ্ধান্তে এর নিষ্পত্তি সম্ভব নয়। সর্বোচ্চ আদালত এই বিষয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে মামলাটি “মন, হৃদয় ও নিরাময়ের” এবং কোনভাবেই ভূমিসম্পর্কিত নয়।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *